ছোটদের ইসলামিক গল্প – 2022

ছোটদের ইসলামিক গল্প

ছোটদের ইসলামিক গল্প

ছোটদের ইসলামিক গল্পঃ ছোটো  ছেলে মেয়েদের কে আমরা পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ছোট থেকেই তাদের ইসলামিক গল্পের বই পড়াতে পারি যাতে করে শিশুরা পরার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে। আর এই বই যদি হয় মজাদার ইসলামিক গল্পের বই বা ইসলামিক কাহিনির বই তাহলে তো তাদের ইসলামের প্রতি ও আগ্রহ বাড়বে। তাই আমরা আমাদের ছেলে মেয়ে কে এমন সব বই পড়াবো বা এমন সব বই কিনে দিবো যাতে করে ওদের সব দিকে ভালো হয়।

এতে করে ইসলামের প্রতি ওদের আগ্রহ ও বাড়বে আবার পড়ার প্রতি ও একটা আগ্রহ জন্মাবে। এমন অনেক সুন্দর সুন্দর ইসলামিক বই বা ইসলামিক গল্পের বই রেয়েছে। আমরা আমাদের ছেলে মেয়ে কে মোবাইল না দেখিয়ে, মোবাইলের প্রতি আর্কষণ কমিয়ে এসব ইসলামিক বই পড়াতে আগ্রহ করে তুলবো। বিষয় করে ছোট সোনা মনিদের জন্য লেখা ইসলামিক বই গুলো আমরা তাদের জন্য আনবো।

আজকে আমরা এমন গল্প বলবো যা ছোটদের জন্য শিক্ষণীয় এবং ছোটদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ করে তুলবে ইনশাআল্লাহ। ছোটদের ইসলামিক গল্প থাকবে আজকের পোষ্টে।

মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায় – কার্যকরী মাধ্যমে ওজন কমিয়ে ফেলুন 2022

নবী করিম সঃ ছোট শিশুদের খুব ভালো বাসতেন। তিনি ছোট দের স্নেহ করতেন এবং ওদের কে সালাম দিতেন। আমরা আমাদের ঘরে ডুকলে সকল কে সালাম দিবো এমন কি আমাদের ছোট ছেলে মেয়েদের কেও সালাম দিবো এতে করে আল্লাহ রহমত আমাদের উপর আসবে।

ছোটদের ইসলামিক গল্প এর মধ্যে নবী করিম সঃ ও এক কাঠুরের গল্প শুনবো আজকে-

একবার হলো কি, এক গরীব লোক তাঁর কাছে সাহায্য চাইতে এলো। নবীজী তাকিয়ে দেখলেন লোকটির পরনে ছেঁড়া কাপর, চোখে-মুখে বেদনার ছাপ। লোকটি পঙ্গু বা বুড়ো নয়, ইচ্ছে করলেই কাজ করে খেতে পারে। তিনি বললেন, তুমি ভিক্ষা করছো কেন? খেটে খেতে পারো না। লোকটি বলল, কি করবো হুজুর, কাজ পেলে কি আর ভিক্ষা করে কারতাম? কাজ না পেয়েই তো পেটের দায়ে ভিক্ষায় নেমেছি।

ছোটদের ইসলামিক গল্প

নবীজীর মায়া হলো। ভাবলেন, সাহায্য করলে হয় তো একবেলা খেতে পারবে। এমন কিছু করা দরকার যাতে তার অভাব দূর হয়। মানুষের কাছে হাত পেতে অপমান সইতে না হয়। মহানবী সাঃ তাকে বললেন, তোমার বাড়িতে কি এমন কিছু আছে যা বিক্রি করতে পারবে? লোকটি বলল, হুজুর, আমি গরিব মানুষ। তেমন কিছুই নেই। তবে ঘরে একটি কম্বল আছে, চাইলে ওটা বিক্রি করা যায়।নবীজী বললেন, ঠিক আছে, তাই করো। তোমার একমাত্র সম্বল কম্বলটাই নিয়ে এসো।

লোকটি তাই করলো। নবীরকথা মত চলে গেল বাড়ি। একটু পর ফিরে এলো কম্বল নিয়ে। নবীজী কম্বলটি সাহাবীদের দেখালেন। বললেন, এটি বিক্রি হবে। কেউ কি উপযুক্ত মূল্য দিয়ে কম্বলটি কিনতে রাজি আছো?নবিজীর কথা মুনে এক সাহাবী বললেন, আমি কিনবো হুজুর।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায় – মানুষিক অবসাদ থেকে মুক্তির উপায় 2022

মহানবী সা. তাঁর কাছে উপযুক্ত দামে কম্বলটি বিক্রি করে দিলেন। কম্বল নিয়ে সাহাবী চলে গেলে নবীজী লোকটিকে ডাকলেন। তার হাতে কিছু অর্থ তুলে দিয়ে বললেন, এই অর্থ দিয়ে কিছু খাবার কিনে খাও। এরপর বাকী অর্থ দিয়ে তিনি একটি কুঠার কিনলেন। সেই কুঠারে নিজেই হাতল লাগালেন। লোকটিকে বললেন, এই কুঠার নিয়ে প্রতিদিন বনে যাবে। বন থেকে কাঠ কেটে বাজারে বিক্রি করবে।

লোকটি তাই করলো। সে প্রতিদিন বন থেকে কাঠ কেটে সেই কাঠ বাজারে বিক্রি করতে থাকলো। এতে তার খুব লাভ হলো। তার অভাব দূর হয়ে গেল। এখন আর তাকে ভিক্ষা করতে হয় না, বরং অভাবী মানুষকে নিজেই সাহায্য করতে পারে।কিছুদিন পর। সে মহানবীর সঙ্গে আবার এসে দেখা করলো। এবার তার গায়ে নতুন জামা, মুখে হাসি। সে রাসূল সা. কে বলল, আমি এখন মেহনত করে খাই। আমার আর কোন অভাব নেই। আপনার কথা শুনে আমার খুব উপকার হয়েছে। আপনি আমাকে সুন্দর জীবনের পথ দেখিয়েছেন।

তার কথা শুনে হাসলেন নবী। বললেন, যে মেহনত করে খায় আল্লাহেই তাকে সাহায্য করেন।

শেষ কথা

এই গল্পে আমরা এই শিক্ষা পেলাম যে ব্যক্তি মানুষের কাছে হাত না পেতে নিজের যদি শক্তি থাকে তাহলে সে যেন নিজেই পরিশ্রম করে খায়। আল্লাহ পরিশ্রম করিকে ও ধৈর্য ধারণ করিকে পছন্দ করেন।

আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার দোয়া

About admin

In a world where you can have everything. Be a giver first. My hobbies are writing , gaming, and SEO 😊

View all posts by admin →

Leave a Reply

Your email address will not be published.