অনলাইন শিক্ষার ৫টি ক্ষতিকর দিক জানুন

অনলাইন শিক্ষার

অনলাইন শিক্ষার ৫টি ক্ষতিকর দিক

বর্তমান সময়ে অনলাইন শিক্ষার হার অনেক পরিমাণের বেড়ে গেছে। অনলাইনের প্রতি এতো গুরুত্ব দেওয়া ফলে ছাত্রদের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হতে পারে। এই বিষয়ে অভিবাকদের অনকে গুরুত্ব দিতে হবে। না হলে পরবর্তী সময়ে অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হতে পারে।

 

অনলাইন শিক্ষার
অনলাইন শিক্ষার গ্রহণের ফলে আমরা অনেক সুবিধায় পেয়েছি। তবে আমি লক্ষ করে দেখেছি যে সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও আমাদের ঘিরে ধরেছে। আজকে আমি এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে এমন কয়েকটি অসুবিধার কথা জানাবো যা শুনে আপনি অবাক হবেন। বাংলাদেশ অনেক শিক্ষার্থী এই ধরনে অসুবিধার সম্মুখিন হচ্ছে। জানতে হলে প্রতিবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহজারে পরুন। তাহলে চলুন আজকের প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

 

অনলাইন শিক্ষার উপরে অতি নির্ভর হয়ে পড়লে অনেক সময় অনেক ধরনের ক্ষতি হতে পারে ছাত্রদের জন্য। কারণ আমরা সকলেই জানি অনলাইনের যেমন ভালো দিক রয়েছে তেমন ক্ষতিকারণ দিকও রয়েছে। নিচে কয়েকটি অনলাইনের শিক্ষার ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরা হলো-

 

>> অনলাইন শিক্ষার ৫টি ক্ষতিকর দিক জানুন

১. সার্টিফিকেটের মান কম

শ্রেণিকক্ষে গিয়ে পরিক্ষা দিয়ে রেজাল্ট পাওয়ার যে একটা সার্টকেট পাওয়া যায় তারা একটা আলাদা দাম আছে। কিন্তু অনলাইনে ঘরে মসে দেখে দেখে যেই পরিক্ষা দেওয়া হয় তারা অতটা দাম নেই বল্লেই। আসলে অনলাইনে ক্লাস করানো হয় শুধু যেন ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়ার মধ্যে থাকে এজন্য। এর বাইরে কোনো কিছুই নয়, আর এর বাইরেও কোনো কিছুর দাম নেই। এজন্য অভিবাকরা লক্ষ রাখবে শিক্ষার্থীরা যেত অনলাইনের শিক্ষার উপরে আসক্ত হয়ে না পরে।

 

২. পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ার সম্ভাবনা

অনলাইন মানেই যে সবসময় ভালো হবে তা কিন্তু নয়। অনলাইনে যেমন সুফল দিক আছে তেমন আছে ক্ষতিকারণ দিক। আমাদের মধ্যে অনেকের পিতামাতা অতোটাও সিক্ষিত নয়। যার ফলে অনলাইনে ছেলে কি করছে সেটা বুঝতে পারেনা। অনেক ছাত্রছাত্রী আছে যারা অনলাইনে ক্লাস না করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয় আর অভিবাবকরা মনে করেন সে অনলাইনে ক্লাস করছে। এভাবে একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিয়তই ফাঁকি দিচ্ছে পড়াশোনায়।

 

৩. মোবাইল ও অনলাইন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে

আসক্ত বিষয়টি অনেক ক্ষতিকারক, যা থেকে সহজে বের হয়ে আসা যায় না। হোক সেটি মোবাইল গেইম, অথবা অন্য কোনো নেশা। কিন্তু একজন ছাত্র যখন নিয়োমিত অনলাইনে ফোনের মাধ্যমে ক্লাস করে বা শিক্ষা গ্রহণ করে। তখন একটা সময় তার এই ফোনের প্রতি আসক্ত এসে যায়। যা পরবর্তীতে একজন শিক্ষার্থীর জন্য হুমকি সরূপ। এই বিষয়ে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে।

 

৪. শিক্ষার্থীরা অলস হয়ে পড়ে

অনলাইন শিক্ষার চতুর্থ ক্ষতিকারণ দিক হলো শিক্ষার্থীরা অলস হয়ে যায়। আমাদের মধ্যে যেই শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে লেখাপড়া করে তাদের মধ্যে একটা পজিটিভ চিন্তাভাবনা তৈরি হয়ে যায়। আর সেটি হলো ঘরে বসেই লেখাপড়া করবে।

আর এমনটা হলো যখন স্কুল কলেজ চালু করে দেওয়া হবে তখন ঐ শিক্ষার্থীর জন্যই অনেক জটিল হয়ে পড়বে। কারণ হলো সে ঘরে বসে পড়ার অভ্যাস তৈরি করেছে। সুতরাং দেখা যাবে সেই নিয়োমিত স্কুলে যাচ্ছে না।এভাবে একজন শিক্ষার্থীর অলস হয়ে পড়ছে। এই বিষয়েও অনকে সচেতন হতে হবে।

 

৫. বিদ্যালয়ে পড়াশোনার আগ্রহ হাড়িয়ে ফেলে

অনলাইন শিক্ষার  সবচেয়ে বড় যেই ক্ষতিকারক বিষয়টি কাজ করে সেটি হলো শিক্ষার্থীরা বিধ্যালয়ে পড়াশোনার আগ্রহ হাড়িয়ে ফেলে। এই অভ্যাস যখন তৈরি হয়ে যাবে তখন একজন ছাত্র ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারবে না। কারণ লেখাপড়ার মূল কারিগর হলো বিদ্যালয়, যদি বিদ্যালয়ে গিয়েই লেখাপড়া না করে তাহলে কিভাবে একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ভালো হবে। আশা করি বিষয়টি সকল শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছো।

 

আমরা সবসময় অনলাইনের ভালো দিকগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করবো। সেটি হোক লেখাপড়া অথবা অন্য কোনো বিষয়। আর যতটুকু সম্ভব হয় মোবাইল বা অনলাইন থেকে দূরে থাকবো। তবে অনলাইনে ক্লাস করাটাও গরুত্বপূর্ণ পড়াশোনা চালু রাখার জন্য। কিন্তু প্রত্যেক ছাত্র তো আর এক হয় না। এজন্য আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।

 

উপসহংহার

এই হলো আমাদের আজকের প্রতিবেদন। আশা করি ছাত্রছাত্রীরা এই বিষয়ে সর্তক হয়ে যাবেন। তবে বর্তমান সময়ে আসতে আসতে করে স্কুল কলেজ খোলা হচ্ছে। যতটুকু সম্ভব হয় অনলাইন শিক্ষার নিকনির্দেশনা থেকে বেরিয়ে হাতে কলমে শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিন। আশা করা যায় আপনি সফল হবেন।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য আপনাকে অসখ্য ধন্যবাদন। আর নিয়োমিত লেখাপড়ার ও শিক্ষার খবর পেতে হলে আমাদের এই ওয়েব সাইটের সাথেই সবসময় থাকবেন।

 

About admin

In a world where you can have everything. Be a giver first. My hobbies are writing , gaming, and SEO 😊

View all posts by admin →

Leave a Reply

Your email address will not be published.